ছাত্র রাজনীতিতে এক অনন্য পথিকৃৎ ফারুক মিলন

রাজনীতি

র‌্যাডিকাল নিউজ ২৪ ডেস্ক: বাড্ডা থানা আওয়ামী রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা জনাব ফারুক মিলন। তিনি বৃহত্তর গুলশান থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিসাবে অধিক পরিচিত। ৮০ ও ৯০ দশকে বৃহত্তর গুলশান থানা ছাত্রলীগের একটি বড় অংশ তার হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন।

এ বিষয়ে জনাব ফারুক মিলনের কয়েক দশকের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে যানা যায়। তিনি পারিবারিকভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। তার বাবা সরকারী চাকুরী করলেও আওয়ামীপন্থী ছিলেন। তবে তিনি সংগঠনে সক্রিয় হয়েছেন ১৯৮৪ সালে তৎকালীন গুলশান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক সেলিম ও সাঃ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাত ধরে।

তারা ছিলেন ৭৫ পরবর্তী প্রথম গুলশান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাঃ সম্পাদক। তিতুমীর কলেজে পড়া অবস্থায় সর্ব প্রথম জনাব ফারুক মিলন তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে গুলশান থানা ছাত্রলীগের কমিটি হলে গুলশান থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দাইত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে গুলশান থানা ছাত্রলীগের সম্মেলন হলে তিনি গুলশান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলন।

তার এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমি থানা সভাপতির দায়িত্ব পালনের পূর্বেই মহানগরীর সদস্য পদ পেয়েছিলাম। যেই কমিটি সভাপতি ছিলেন মারুফ ভাই ও সাঃ সম্পাদক ছিলেন মতি ভাই (বর্তমান মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাঃ সম্পাদক)। প্রয়াত মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আপা ও বর্তমান মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাঃ সম্পাদক এস.এম মান্নান কচি ভাই। এই দুইজন মানুষের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পেয়েছি।

তিনি আরোও বলেন, আমি বর্তমানে মহানগর আওয়ামী লীগের “কার্যকরী সদস্য” হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি।জনাব ফারুক মিলন কে প্রশ্ন করা হয় এই অঞ্চলের সাবেক ছাত্রনেতারা আপনাকে বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে দেখেতে চায়। এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি?

তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মহানগর আওয়ামীলীগ আমাকে প্রয়োজন মনে করে যেই দ্বায়িত্ব দিবেন। আমি সেটাই পালন করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করি। তার কাছে আরো জানতে চাওয়া হয় রাজনীতিতে আপনার কোন চাওয়াটা পূরণ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, কোন কিছু পাওয়ার আশায় ছাত্রলীগ করি নি। জীবণের সবচেয়ে বেশি চাওয়া ছিল তা হল জাতির পিতার হত্যার বিচার হওয়া ও কার্যকর করা। আল্লাহর রহমতে এই দুটিই হয়েছে। আর অল্পকিছু ঘাতক পলাতক আছে। যদি ওদের দেশে নিয়ে এসে বিচারের আওতায় আনা যায়। তবে আর কোন চাওয়া-পাওয়া বাকি থাকবে না। তার কাছে আরো জানতে চাওয়া হয় আপনি বর্তমান বর্তমান প্রজন্ম থেকে কি আশা করেন?

এ বিষয়ে জনাব ফারুক মিলন বলেন, আমি চাই তারা রাজনীতি শিখুক। তাদের বুঝতে হবে বংগবন্ধু কি চেয়েছিলেন এবং কেমন ছাত্রলীগ গড়তে চেয়েছিলেন। আর বর্তমান প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু আদর্শ লালন করতে হবে, শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করতে হবে এবং দেশপ্রেমিক হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *